খেলাধুলা

মাহমুদউল্লাহর ঝলকে বড় জয় রংপুরের

আপডেট: জানু ০২, ২০২৬ : ০৫:৫৩ পিএম
মাহমুদউল্লাহর ঝলকে বড় জয় রংপুরের

বিপিএলের সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর প্রেক্ষাপটে সিলেট টাইটান্সের সংগ্রহ করা ১৪৪ রানকে খুব একটা ছোট করে দেখার সুযোগ ছিল না। বোলিংয়েও লড়াইয়ে থাকার আভাস দিয়েছিল স্বাগতিকরা। তবে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহর শেষ দিকের কার্যকর ব্যাটিংয়ে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রংপুর রাইডার্স।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে রংপুর জয় পায় ৬ উইকেট হাতে রেখে, হাতে থাকে আরও ৭ বল। এর আগের দিন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে প্রায় জিতেও হেরে যায় রংপুর। সে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে, যেখানে শেষ বলে রানআউট হয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। এক দিন পর ব্যাট হাতে পারফরম্যান্সে সে সব প্রশ্নের জবাব দিলেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। ১৬ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেন তিনি।

সিলেটের দেওয়া লক্ষ্য তাড়ায় রংপুরের শুরুটা ছিল মন্থর। ৪.১ ওভারে ২১ রানের মধ্যেই আউট হন ওপেনার ডেভিড মালান (১৯)। এরপর তাওহীদ হৃদয় দ্রুত ফিরে যান—১১ বলে ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড। কাইল মায়ার্সও স্বচ্ছন্দে খেলতে পারেননি। ক্যারিবীয় এই ব্যাটার ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। লিটন দাস খানিকটা চেষ্টা করেন, ২৫ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান।

মায়ার্স আউট হওয়ার সময় রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৩১ বলে ৫১ রান। তখনই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল। দুজনে মিলে গড়ে তোলেন ৫১ রানের জুটি। মাহমুদউল্লাহ ১৬ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৪ রান করে আউট হলেও কাজটা করে দেন। খুশদিল শাহ ১১ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সিলেটের হয়ে একটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ, সাইম আইয়ুব, নাসুম আহমেদ ও ইথান ব্রুকস।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি সিলেট টাইটান্স। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তাদের রান থামে ১৪৪-এ। আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩১ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। ইথান ব্রুকসের ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান। তবে মাঝের সারির ব্যাটাররা প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হন। রংপুরের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফ—দুজনেই নেন ৩টি করে উইকেট।

আরএস

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!