নামের পাশে এখনো ‘টেস্ট ব্যাটার’ তকমাই বেশি চোখে পড়ে। ওয়ানডে তো দূরের কথা, টি-টোয়েন্টি দল ভাবনাতেও খুব একটা জায়গা পান না মাহমুদুল হাসান জয়। তবে বিপিএলের মঞ্চে গতকাল ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের জানান দিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ঝোড়ো এক ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেও জয়ের কণ্ঠে রয়ে গেছে অপূর্ণতার আক্ষেপ।
বুধবার বিপিএলে চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে মাত্র ৯ বলে ৪৪ রান করেন জয়। তাঁর ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা। এই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয় দলটি। ম্যাচ শেষে ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে জয়ের হাতেই।
১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ইতিবাচক থাকলেও বড় ইনিংস গড়তে পারেনি সিলেট। আফিফ হোসেন ৩৩ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেললেও অন্যরা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারান। শেষদিকে খালেদ আহমেদের ৯ বলে ২৫ রানের ইনিংস হারের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের ইনিংস নিয়ে জয় বলেন, উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো ছিল। সে কারণে খারাপ বলগুলো আক্রমণ করার চেষ্টা করেছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছেন বলেই ইনিংসটা এমন হয়েছে।
তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় আফসোস হাফসেঞ্চুরি না পাওয়া নিয়ে। জয় বলেন, উইকেট খুব ভালো ছিল। ইনিংসটা আরও বড় করতে পারলে দল হয়তো ২০০–এর বেশি রানও করতে পারত।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও নিজেকে প্রমাণ করার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে সব সংস্করণেই ভালো করার চেষ্টা থাকে। বিপিএল চলাকালে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার আত্মবিশ্বাসও কাজে লাগাতে চান।
শেষদিকে খালেদ আহমেদের ঝড়ো ব্যাটিং নিয়ে কিছুটা বিস্ময়ের কথাও স্বীকার করেন জয়। তবে দলের বোলিং আক্রমণ নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন বলে জানান।
ম্যাচসেরা হয়েও তাই পুরোপুরি তৃপ্ত নন মাহমুদুল হাসান জয়। ব্যক্তিগত মাইলফলক ছোঁয়ার আক্ষেপের মধ্যেই ভবিষ্যতের জন্য রেখে গেলেন সম্ভাবনার বার্তা।
আরএস
No comments yet. Be the first to comment!