খেলাধুলা

ম্যাচসেরা তানজিদ, টুর্নামেন্টসেরা শরিফুল

আপডেট: জানু ২৩, ২০২৬ : ০৫:৪১ পিএম ১২
ম্যাচসেরা তানজিদ, টুর্নামেন্টসেরা শরিফুল

ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নেমেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এটি রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা।

চ্যাম্পিয়ন দলের জয়ের নায়ক ছিলেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফাইনালে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির জন্য তিনি হন ম্যাচসেরা। ৬০ বলে শতক পূরণের পর তানজিদ আউট হন ৬১ বলে ১০০ রানে। বিপিএলের এবারের আসরে এটি তাঁর চতুর্থ সেঞ্চুরি।

এ আসরে সেঞ্চুরি করেছেন শান্ত, ইসাখিল ও হৃদয়। তাঁদের পরই শতকের দেখা পান তানজিদ। পাশাপাশি বিপিএলের ফাইনালে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি—এর আগে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে বিপিএলে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরির রেকর্ডও গড়েছেন তানজিদ।

পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার জিতেছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। ব্যাটসম্যানদের জন্য পুরো আসরজুড়েই বড় হুমকি ছিলেন জাতীয় দলের এই পেসার।

এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন শরিফুল। ১২ ম্যাচে তাঁর শিকার ২৬ উইকেট। এর আগে গত মৌসুমে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ১২ ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। ফাইনালে দুটি উইকেট নিয়ে সেই কীর্তি ভাঙেন শরিফুল।

এই আসরে শরিফুল মোট ২৬৯ বল করে দিয়েছেন ২৬২ রান। তাঁর গড় ১০.০৭ এবং ইকোনমি রেট ৫.৮৪। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রানে ৫ উইকেটই ছিল তাঁর সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে একটি ম্যাচ ছাড়া প্রতিটি ম্যাচেই উইকেট পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া টুর্নামেন্টজুড়ে ১০টি ক্যাচ নিয়ে সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার জিতেছেন লিটন কুমার দাস। সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন রাজশাহীর পেসার রিপন মণ্ডল, যিনি আসরে নিয়েছেন ১৭ উইকেট। সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের পুরস্কার জিতেছেন পারভেজ হোসেন ইমন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!