জাতীয় দলের জন্য ভবিষ্যৎ ক্রিকেটার তৈরি করতে নারী ক্রিকেটেও হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অনূর্ধ্ব–১৯ দল থেকে উঠে আসা সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের এই কার্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে বোর্ড।
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরেই নারীদের জন্য আলাদা হাই-পারফরম্যান্স ইউনিট গঠনের কাজ চলছিল। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। বিসিবির নারী বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী মে মাস থেকে এইচপি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা চার থেকে পাঁচ মাস চলবে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এই সময়ে নিয়মিত ক্যাম্প, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, ফিটনেস ও কন্ডিশনিং সেশন থাকবে। পাশাপাশি ট্রেনার ও ফিজিওসহ পুরুষদের হাই-পারফরম্যান্স ইউনিটে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, সেটিই নারীদের ক্ষেত্রেও নিশ্চিত করা হবে।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মূলত অনূর্ধ্ব–১৯ দল থেকে ভালো পারফরম্যান্স করা ক্রিকেটাররাই এইচপিতে সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি যাদের বয়স ২৬–২৭ বছরের কম এবং যাদের থেকে দীর্ঘমেয়াদে (ছয় থেকে সাত বছর) জাতীয় দলে সার্ভিস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন ক্রিকেটারদের নির্বাচন করা হবে। প্রাথমিকভাবে এইচপি ইউনিটে ১৫ থেকে ২০ জন ক্রিকেটার থাকবেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী জাতীয় দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সফল সময় কাটিয়েছে। সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ না পেলেও বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে দলটি। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে টাইগ্রেসরা বাছাইপর্ব শেষ করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে নারী ক্রিকেটে কাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে এই হাই-পারফরম্যান্স ইউনিটকে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে বিসিবি।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!