ব্যাটিং বিপর্যয়ের লজ্জার রেকর্ড গড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাত্র ৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি, যা আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে অন্যতম ভয়াবহ ধস হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
গতকাল বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ৭৫ রানে গুটিয়ে যায় দিল্লি। ৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৮১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয়।
বিশেষভাবে আলোচনায় আসে দিল্লির ব্যাটিং ধস। পাওয়ার প্লের মধ্যে তারা ৬ উইকেট হারায় মাত্র ১৩ রানে। এরপর পুরো ইনিংস থামে ৭৫ রানে, যা আইপিএলের ইতিহাসে সপ্তম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানোর ঘটনা আইপিএলে আগে কখনো দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে পরিসংখ্যান। এর আগে ২০১১ সালে কোচি টাস্কার্স কেরালা ৬ উইকেট হারিয়েছিল প্রথম ছয় ওভারে।
তবে দিল্লির এই বিপর্যয় শুধু উইকেট হারানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মাত্র ২৩ ওভারে শেষ হওয়া এই ম্যাচটি আইপিএলের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের ম্যাচ হিসেবে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
বেঙ্গালুরুর হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন জশ হ্যাজলউড ও ভুবনেশ্বর কুমার। দুজনেই পাওয়ার প্লেতে তিনটি করে উইকেট তুলে নিয়ে দিল্লির ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন।
অন্যদিকে স্পিনার সুয়াশ শর্মা ৪ ওভারে ২০টি ডট বল দিয়ে আইপিএলের এক ইনিংসে কোনো স্পিনারের সর্বোচ্চ ডট বলের রেকর্ডে নাম লেখান।
ব্যাট হাতে সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিরাট কোহলি ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এর মধ্য দিয়ে আইপিএলে তার মোট রান দাঁড়ায় ৯ হাজার ১২, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসেবে একটি অনন্য মাইলফলক।
ম্যাচ শেষে আইপিএল ইতিহাসে আরও একাধিক রেকর্ড যোগ হয়—দ্রুততম জয়, কম বল খেলে লক্ষ্য পূরণ এবং পাওয়ার প্লেতে উইকেট পতনের নতুন নজিরসহ।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!