আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালি জাতিসত্তা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি শুধু বাংলার নন, বিশ্বসাহিত্যেরও এক অনন্য সম্পদ।
শুক্রবার বিকেলে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আইনমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জন্য এক নিরন্তর অনুপ্রেরণার উৎস। তাকে ছাড়া বাঙালি জাতিসত্তা, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পূর্ণাঙ্গভাবে কল্পনা করা যায় না।”
তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে মানুষের মানবিকতা, জীবনবোধ ও সৌন্দর্যচেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, তরুণদের মধ্যে রবীন্দ্রচর্চা ও সাংস্কৃতিক চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া গেলে তারা মাদক থেকে দূরে থাকবে এবং খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও বেশি আগ্রহী হবে।
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা দেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান। স্বাগত বক্তব্য দেন ফুলতলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুচি রানী সাহা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসন যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!