সারাদেশ

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে: মীর হেলাল

আপডেট: জুলা ০৯, ২০২৬ : ০৫:১৩ এএম
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হবে: মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, টানা বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত কোনো মানুষকে সহায়তা ছাড়া রাখা হবে না।

বুধবার চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন বন্যা ও পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন এবং দুর্গত মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর হেলাল বলেন, দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় মানুষের পাশে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় টানা বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নির্দেশনার পর প্রতিমন্ত্রী বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে পৌঁছে নগরী ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সফরের অংশ হিসেবে তিনি নগরের বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার ব্যাংক কলোনি এলাকার পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। সেখানে বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

পরে হাটহাজারী উপজেলার ইছাপুর ও আজিমপুর এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেন। পাশাপাশি জালালাবাদের বটতলা এবং দক্ষিণ পাহাড়তলীর খিল্লাপাড়া এলাকায় জলাবদ্ধতা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পরিদর্শন করে দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় তরুণদের সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!