সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ, বন্ধ ট্রেন চলাচল

আপডেট: নভে ০৮, ২০২৬ : ০৫:৩৮ এএম ৫ ০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ, বন্ধ ট্রেন চলাচল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহাল এবং সদর উপজেলাকে বিভক্ত করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে রেল ও সড়কপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় এ অবরোধ শুরু হয়। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

অবরোধকারীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে বিক্ষোভ করেন। অবরোধের কারণে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর ও সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনের চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত মাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সিলেটগামী আন্তনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে অবস্থান করছে। নিরাপত্তার কারণে কক্সবাজারগামী বিরতিহীন পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটিও সেখানে অবস্থান করবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম—কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠন করে সেটিকে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়।

তাঁদের দাবি, শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন বাসুদেব ইউনিয়নবাসী। তবে এখন পর্যন্ত এর কোনো সমাধান হয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি সদর উপজেলার বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ইউনিয়নকে ভেঙে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের সঙ্গে একীভূত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ প্রস্তাবের পেছনে রয়েছেন জেলা বিএনপির নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়া। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। জানমালের ক্ষতি এড়াতে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!