অর্থনীতি

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট: মে ১৯, ২০২৬ : ০৫:৪০ এএম
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

গত ১৫ মে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ অর্থায়ন অনুমোদিত হয় বলে সোমবার (১৮ মে) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস জানায়।n এই অর্থ ‘এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত সচল রাখতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির অর্থায়ন ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করা হবে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম ওঠানামা এবং সরবরাহ সংকটের কারণে বাংলাদেশকে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অতিরিক্ত এই অর্থায়নের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেটের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় গ্যাস আমদানি ও বিল পরিশোধে সক্ষমতা বাড়াতে পারবে। এতে তুলনামূলক কম দামে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, এটি মূলত আইডিএ-গ্যারান্টি-ব্যাকড ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি, যা স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট ও স্বল্পমেয়াদি ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির পেমেন্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

এর আগে ২০২৫ সালের জুনে একই প্রকল্পের অধীনে ৩৫ কোটি ডলারের প্রাথমিক অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছিল। নতুন অর্থায়নের ফলে প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের মোট সহায়তা ৭০ কোটি ডলারে উন্নীত হলো। প্রকল্পটি ২০৩১ সাল পর্যন্ত চলবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের পরিচালক জঁ পেসমে বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশ বড় ধরনের আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে। এই সহায়তা জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এবং অর্থনীতিকে সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্থায়নের ফলে এলএনজি আমদানিতে উচ্চমূল্যের নির্ভরতা কিছুটা কমবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা আসবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!