বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা এবং দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানো, নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ী নেতা ও উদ্যোক্তারা।
শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘সার্বিক স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়।সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমস, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (রাজস্ব নীতি) নুসরাত ফারজানা বলেন, কর আহরণ এবং কর–প্রণোদনার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে ব্যবসা সহজীকরণে কাজ করছে এনবিআর। সম্প্রতি পাস হওয়া ‘অর্থ আইন–২০২৬’-এ ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার সুফল উদ্যোক্তারা শিগগিরই পাবেন।
মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ীরা চশমা শিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানির নীতিমালা সহজ করা, রিয়েল এস্টেট খাতে সাইনিং মানির ওপর কর কমানো, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং খাতের জন্য পৃথক নীতিমালা প্রণয়ন এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এলসি খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানান।
এ ছাড়া ঢাকা আইসিডিতে কনটেইনার পরিবহন ও খালাস কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নারী উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে প্রণোদনা দেওয়া, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং নবায়নের মেয়াদ এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করার প্রস্তাবও তুলে ধরেন তারা।
অনুষ্ঠান শেষে নতুন ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে ঢাকা চেম্বারের সদস্যপদ দেওয়া হয়। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ নবীন সদস্যদের হাতে সদস্যপদ সনদ তুলে দেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!