অর্থনীতি

ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পুনঃতফসিলে বাড়তি সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট: সেপ্টে ০১, ২০২৬ : ০৫:৫৪ এএম ১৫
ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পুনঃতফসিলে বাড়তি সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পুনর্গঠনে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনায় বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন করে নীতি সহায়তার জন্য আবেদন করা যাবে। আগে নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন করে এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বড় ঋণগ্রহীতাদের বাড়তি সুবিধা

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে।

বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও বাড়তি সময় দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সংশ্লিষ্ট সার্কুলারে নির্ধারিত মেয়াদের সঙ্গে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর যোগ করে ঋণ পুনর্গঠন করা যাবে।

তবে কোনো প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকার কম হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের সার্কুলারে নির্ধারিত মেয়াদই প্রযোজ্য হবে।

আগের সুবিধাপ্রাপ্তরাও আবেদন করতে পারবেন

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এর আগে নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন নির্দেশনায় বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য নির্ধারিত অতিরিক্ত মেয়াদ ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

ইতিমধ্যে যে সময়ের গ্রেস পিরিয়ড পার হয়ে গেছে, সেটিও নির্ধারিত গ্রেস পিরিয়ডের অংশ হিসেবে গণনা করা হবে। প্রয়োজনে সে অনুযায়ী অতিরিক্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

কোন ঋণে কী সুবিধা

নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অশ্রেণিকৃত ঋণ বিশেষ পুনর্গঠন সুবিধার আওতায় এবং বিরূপভাবে শ্রেণিকৃত ঋণ বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধার আওতায় আনা যাবে।

তবে এ সুবিধার আওতায় করা সব আবেদন প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট নেওয়ার পর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নিষ্পত্তি করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পুনর্গঠনে নীতি সহায়তা–সংক্রান্ত আগের সার্কুলার ও নির্দেশনাগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯(১)(চ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক এ নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!