অর্থনীতি

ফলের দাম কিছুটা কমেছে, তবু স্বস্তি নেই ক্রেতাদের

আপডেট: নভে ০৮, ২০২৬ : ০৬:০১ এএম ৭ ০
ফলের দাম কিছুটা কমেছে, তবু স্বস্তি নেই ক্রেতাদের

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম। বিশেষ করে আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। তবে অধিকাংশ বিদেশি ফলের দাম এখনো বেশি। ফলে দাম কমলেও স্বস্তি ফিরছে না ক্রেতাদের মধ্যে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রতি কেজি কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। ফুজি আপেল ৩০০ টাকা, দিলশান আপেল ২৫০ টাকা এবং ছোট আকারের আপেল ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে মাল্টার দাম ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা। এ ছাড়া পেঁপে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, সাদা আঙুর ৪০০ টাকা, কালো আঙুর ৫৫০ টাকা, আনার ৩৫০ টাকা এবং নাশপাতি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ড্রাগন ফল ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং সাম্মাম ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে প্রতিটি আনারসের দাম ৩০ থেকে ৬০ টাকা। দেশি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ফলের দাম কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে।

আরেক ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, মাল্টা এখন ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। গত সপ্তাহে দাম ৩০০ টাকার বেশি ছিল। নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে। আফ্রিকান আপেলের দাম তুলনামূলক বেশি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়।

জুমার নামাজের পর ফল কিনতে আসা ক্রেতা আলী হোসেন বলেন, আড়াই কেজি পাকা পেঁপে কিনেছেন ১৫০ টাকায়। তাঁর মতে, ফলের দাম অনেকটাই আকারের ওপর নির্ভর করে। ছোট আকারের পেঁপে ৫০ টাকা কেজিতেও পাওয়া যায়। দেশি ফলের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় তিনি এসব ফলই বেশি কেনেন।

বাজারে আসা অন্য ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু ফলের দাম কমলেও সব ধরনের ফল কেনার ক্ষেত্রে তাঁদের হিসাব করে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশি ফলের দাম বেশি থাকায় অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে কিনছেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!