বিনোদন

‘ব্রেকআপের পর কাঁদা নয়, পার্টি করা উচিত’—জেনিফার লোপেজ

আপডেট: জুলা ০২, ২০২৬ : ০৫:০৪ এএম
‘ব্রেকআপের পর কাঁদা নয়, পার্টি করা উচিত’—জেনিফার লোপেজ

প্রেম, বিয়ে আর বিচ্ছেদ—হলিউড তারকা জেনিফার লোপেজের ব্যক্তিজীবন বরাবরই আলোচনায়। চারবারের বিবাহবিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা থেকে এবার সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন এই গায়িকা ও অভিনেত্রী। তার মতে, ব্রেকআপ বা বিচ্ছেদ শোকের নয়, বরং নতুন শুরুর উপলক্ষ হওয়া উচিত।

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া রোমান্টিক কমেডি চলচ্চিত্র অফিস রোমান্স–এর প্রচারণায় মিশরীয় কমেডিয়ান কারিম রাহমার অনুষ্ঠান সাবওয়ে টেকস–এ অতিথি হয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন ৫৬ বছর বয়সী এই তারকা।

জেনিফার বলেন, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা তিনি পেয়েছেন হৃদয় ভাঙার পর। তার ভাষায়, ‘মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগীয়ভাবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলো এসেছে হৃদয় ভাঙার পর। শুধু প্রেম নয়, ক্যারিয়ারে ব্যর্থতার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’

তিনি মনে করেন, বিচ্ছেদ মানুষকে নিজের ভেতরে তাকানোর সুযোগ করে দেয়। কেন সম্পর্ক ভাঙল, কোথায় ভুল ছিল কিংবা নিজেকে কীভাবে আরও ভালো করা যায়—এসব প্রশ্নই মানুষকে পরিণত করে।

বিচ্ছেদকে নেতিবাচকভাবে না দেখে উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে জেনিফার বলেন, ‘আমাদের উচিত ব্রেকআপের পর পার্টি করা। কেউ যদি বলে, তোমাদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে, তাহলে তার জবাব হওয়া উচিত—অভিনন্দন! কারণ, অন্তত একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া গেছে। আর সেটাই হয়তো সংশ্লিষ্ট সবার জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত ছিল।’

ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক সম্পর্ক ও বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে গেছেন জেনিফার লোপেজ। ১৯৯৭ সালে ওজানি নোয়ার সঙ্গে প্রথম বিয়ে করেন তিনি। পরে ক্রিস জুড ও গায়ক মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন। মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে তার যমজ সন্তান ম্যাক্স ও এম্মে রয়েছে।

২০১৯ সালে সাবেক বেসবল তারকা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে বাগদান হলেও সেই সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায়নি। পরে পুরোনো প্রেমিক অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেককে বিয়ে করলেও ২০২৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।

একাধিক সম্পর্কের ভাঙন পেরিয়েও জেনিফারের বার্তা স্পষ্ট—বিচ্ছেদ মানেই শেষ নয়, বরং এটি হতে পারে জীবনের নতুন অধ্যায়ের শুরু।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!