আন্তর্জাতিক

কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী?

আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬ : ০৬:১০ এএম
কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী?

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন—তা নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে সম্ভাব্য নেতৃত্বপ্রার্থীদের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

লেবার পার্টি সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ শেষে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে। দলের ভেতরে নেতৃত্ব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

লেবার পার্টির জনপ্রিয় নেতাদের একজন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বর্তমানে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি “কিং অব দ্য নর্থ” নামেও পরিচিত।

২০০১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বার্নহ্যাম স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিসহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। দলের এমপিদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা বেশি বলে বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে টিকে থাকতে তার অন্তত ৮১ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

ওয়েস স্ট্রিটিং

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন। তিনি ২০২৪ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং এনএইচএস সংস্কারে ভূমিকার জন্য পরিচিত।

দলের মধ্যপন্থি ও ডানপন্থি অংশের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও সাধারণ সদস্যদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অ্যাঞ্জেলা রায়নার

সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রায়নারও নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন। শ্রমজীবী পরিবার থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক লেবার পার্টির প্রভাবশালী মুখ হিসেবে পরিচিত।

তবে ২০২৫ সালে কর সংক্রান্ত অভিযোগে পদত্যাগের পর তার রাজনৈতিক অবস্থান কিছুটা দুর্বল হয়েছে বলে মনে করা হয়।

অন্যান্য নাম

এছাড়া সাবেক জ্বালানি মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এবং প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী আল কার্নসের নামও আলোচনায় রয়েছে।

তবে দলীয় সমর্থন ও নেতৃত্ব প্রতিযোগিতার সমীকরণে শেষ পর্যন্ত কে লেবার পার্টির নেতৃত্বে আসবেন, তা নির্ভর করছে এমপিদের ভোট ও অভ্যন্তরীণ সমঝোতার ওপর।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!