আন্তর্জাতিক

খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে বিশ্বনেতারা, শুরু সাত দিনের শেষ বিদায়

আপডেট: জুলা ০৪, ২০২৬ : ০৫:২৬ এএম
খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে বিশ্বনেতারা, শুরু সাত দিনের শেষ বিদায়

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা তেহরানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। শুক্রবার রাজধানীতে বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হয়। একই স্থানে পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহও রাখা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন খামেনি। এরপর চলমান সংঘাতের কারণে তাঁর দাফন বিলম্বিত হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এখন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাত দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিপুল জনসমাগমের জন্য পরিচিত এই প্রার্থনাস্থলেই খামেনির কফিন রাখা হয়েছে।

পরবর্তী দুই দিন, ৬ ও ৭ জুলাই, তেহরান থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোম পর্যন্ত শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া ধর্মীয় শিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কোমের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

এরপর ৮ জুলাই মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে। দেশটির নজফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার পর নজফ ও কারবালায় শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে এই দুটি শহর অত্যন্ত পবিত্র।

সবশেষে ৯ জুলাই মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। মাশহাদ শুধু শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র শহরই নয়, খামেনির জন্মস্থানও। ১৯৩৯ সালে তিনি সেখানে জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবনের একটি বড় সময় ওই শহরেই কাটান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাত দিনের এই রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে দেশি-বিদেশি অতিথিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছে ইরান।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!