মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ার পর মাত্র ২০ দিনের মধ্যে চীনে প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে ইরান। এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামাবাদ সমঝোতার পর ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হলে সেই সুযোগে দেশটি দ্রুত তেল রপ্তানি বাড়ায়। ১৭ জুন থেকে ৩০ জুনের মধ্যে প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল চীনে পাঠানো হয়, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬০০ কোটি ডলার।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, ইরান নিজেদের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার ব্যবহার করে মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূল ঘুরে চীনের বিভিন্ন বন্দরে এসব চালান পৌঁছে দেয়।
চীন বর্তমানে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। দেশটি ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ কিনে থাকে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও বিকল্প পদ্ধতিতে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে দুই দেশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিষেধাজ্ঞার সময় ইরানি ট্যাংকারগুলো দক্ষিণ চীন সাগরের ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস (ইওপিএল)’ এলাকায় অবস্থানরত চীনা জাহাজে জাহাজ-থেকে-জাহাজ (Ship-to-Ship) পদ্ধতিতে তেল স্থানান্তর করত। এই পদ্ধতিই গত কয়েক বছর ধরে দুই দেশের তেল বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছে। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপরও অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে ইরানের অনেক তেলবাহী জাহাজ বন্দর ছাড়তে পারছে না, আবার যেগুলো সমুদ্রে রয়েছে, সেগুলোরও বন্দরে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ফার্স্টপোস্ট-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ২০ দিনেই চীনে ৬০০ কোটি ডলারের তেল রপ্তানি ইরানের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হওয়ার পর মাত্র ২০ দিনের মধ্যে চীনে প্রায় ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে ইরান। এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামাবাদ সমঝোতার পর ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল হলে সেই সুযোগে দেশটি দ্রুত তেল রপ্তানি বাড়ায়। ১৭ জুন থেকে ৩০ জুনের মধ্যে প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল চীনে পাঠানো হয়, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬০০ কোটি ডলার।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, ইরান নিজেদের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার ব্যবহার করে মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূল ঘুরে চীনের বিভিন্ন বন্দরে এসব চালান পৌঁছে দেয়।
চীন বর্তমানে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। দেশটি ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ কিনে থাকে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও বিকল্প পদ্ধতিতে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে দুই দেশ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিষেধাজ্ঞার সময় ইরানি ট্যাংকারগুলো দক্ষিণ চীন সাগরের ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস (ইওপিএল)’ এলাকায় অবস্থানরত চীনা জাহাজে জাহাজ-থেকে-জাহাজ (Ship-to-Ship) পদ্ধতিতে তেল স্থানান্তর করত। এই পদ্ধতিই গত কয়েক বছর ধরে দুই দেশের তেল বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেছে। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপরও অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে ইরানের অনেক তেলবাহী জাহাজ বন্দর ছাড়তে পারছে না, আবার যেগুলো সমুদ্রে রয়েছে, সেগুলোরও বন্দরে ফিরে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও ফার্স্টপোস্ট
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!