জাতীয়

অভিবাসন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ–সারাওয়াক আলোচনা

আপডেট: এপ্রি ১৬, ২০২৬ : ০৫:২০ এএম
অভিবাসন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ–সারাওয়াক আলোচনা

অভিবাসন, কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সারাওয়াক প্রদেশ। এ লক্ষ্যে সারাওয়াকের প্রধানমন্ত্রী আবাং হাজি আব্দুর রহমান যোহারি–এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী।

গত বুধবার স্থানীয় সময় কুচিংয়ে সারাওয়াক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত হয়েছে।

বৈঠকে কৃষি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শ্রমিক অভিবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। হাইকমিশনার বাংলাদেশের কৃষি সক্ষমতা ও মানবসম্পদের বিষয়টি তুলে ধরে সারাওয়াকের উন্নয়নে দক্ষ, অর্ধদক্ষ ও সাধারণ শ্রমিক সরবরাহে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান।

সারাওয়াকের প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত সহযোগিতাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রদেশটির উন্নয়ন কৌশলে কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ দুটি খাত। তিনি নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও শ্রমিক নিয়োগের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দেন।

অভিবাসন প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল করতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তাবেও ইতিবাচক সাড়া দেন তিনি। পাশাপাশি কৃষি খাতে সহযোগিতা বাড়াতেও পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে, বিশেষ করে সৌরশক্তি ও সবুজ প্রযুক্তিতে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের বিষয়েও দুই পক্ষ মতবিনিময় করে।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং আলোচনার বিষয়গুলো বাস্তবায়নে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার অঙ্গীকার করে।

এ ছাড়া বৈঠকে সারাওয়াক প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ডেপুটি মন্ত্রী দাতুক গেরাওয়াত গালাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে হাইকমিশনার মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারিং ফেডারেশন ও সারাওয়াক বিজনেস ফেডারেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!