দেশের সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে ১৭ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এর মধ্যে চাল ১৪ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন এবং গম ৩ লাখ ৭ হাজার মেট্রিক টন।
সোমবার জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের বর্তমান মজুত সন্তোষজনক। মজুত বাড়াতে সরকার জি-টু-জি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বিদেশ থেকে চাল-গম আমদানি করছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণভাবে বোরো ও আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৫ লাখ মেট্রিক টন এবং জি-টু-জি পদ্ধতিতে ১ লাখ মেট্রিক টন—মোট ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে ৩ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন চাল দেশে এসেছে, বাকি ২ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন আসার অপেক্ষায় রয়েছে।
গম আমদানির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৫০ হাজার মেট্রিক টন এবং জি-টু-জি পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন—মোট ৭ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির চুক্তির বিপরীতে ৭ লাখ ৩ হাজার মেট্রিক টন গম ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। বাকি প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন গমবাহী একটি জাহাজ আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, আসন্ন বোরো সংগ্রহ মৌসুমে (মে–আগস্ট) ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হবে।
আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরেও চাহিদা অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে চাল-গম সংগ্রহ অব্যাহত থাকবে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!