জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে প্রাইমারি কন্ট্রোল ফ্রি গভর্নর মোড অপারেশনের (এফজিএমও) পাশাপাশি সেকেন্ডারি কন্ট্রোল অটোমেটিক জেনারেশন কন্ট্রোল (এজিসি) চালু করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিবি)।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিজিবির অধীন ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) তত্ত্বাবধানে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সহায়তায় এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর অংশগ্রহণে এজিসি চালু করা হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা বেড়েছে।
সংস্থাটি বলছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে নিরাপদে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রেও এই উদ্যোগ সহায়ক হবে।
গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে ‘বাংলাদেশ পাওয়ার সিস্টেম রিলায়েবিলিটি অ্যান্ড ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ। এ প্রকল্পের আওতায় এর আগে এনএলডিসির ইএমএস সফটওয়্যার হালনাগাদ এবং ৩০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে এফজিএমও চালু করা হয়।
বর্তমানে সেকেন্ডারি কন্ট্রোল এজিসির আওতায় ১২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে যুক্ত করা হয়েছে। গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল পরিচালিত কার্যক্রমে দেখা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কন্ট্রোল একসঙ্গে চালু থাকলে গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে স্পিনিং রিজার্ভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত স্পিনিং রিজার্ভ থাকলে এফজিএমও ও এজিসির মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বা কমাতে সক্ষম হয়। এটি গ্রিডের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে পিজিবি।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!