সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, গুণীজনদের সম্মানিত করলে শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদা বৃদ্ধি পায় না, সমাজের উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বিজনেস, সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নতুনধরা গ্রুপ প্রেজেন্টস গ্লোবাল ব্র্যান্ডস ও টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়া হলে সমাজে সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। পুরস্কার একজন ব্যক্তিকে আরও উদ্যমী করে তোলে এবং সমাজের জন্য আরও বড় অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করে।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গান ও সংস্কৃতি আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
তিনি বলেন, সিনেমা, নাটক, গান ও লোকসংস্কৃতি মানুষের মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে এবং শিল্পীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, প্রিমিয়াম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান, রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল এবং নতুনধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. সাদী-উজ-জামান বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন এবং প্রয়াত আলী আহমেদ-কে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া খুরশিদ আলম, মনির খান, ফেরদৌস আরা, আসনা হাবিব ভাবনাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের গুণীজনদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেদোয়ান খন্দকার। সঞ্চালনা করেন ট্রাবের সভাপতি সালাম মাহমুদ।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!