জাতীয়

মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা আজ

আপডেট: মে ০৮, ২০২৬ : ০৫:০৪ এএম
মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা আজ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে দুই দিনের সফরে আজ শুক্রবার ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী মহসিন রেজা নাকভি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সফর শেষে শনিবার রাতে তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা।

সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশন বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রটোকল সহায়তা চেয়েছে। সফরে মন্ত্রীর সঙ্গে তার স্ত্রীও থাকবেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সফরের মূল আকর্ষণ হবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ–এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠকে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, সন্ত্রাস দমন এবং আন্তর্দেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

এ ছাড়া গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সাইবার নিরাপত্তা, উগ্রবাদ মোকাবিলা, অর্থপাচার প্রতিরোধ এবং মানবপাচার দমনের মতো বিষয়ও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকের পর দুই দেশের প্রতিনিধিদল যৌথ মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবে। পরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদেরও বৈঠক হতে পারে। সেখানে ক্রিকেট সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক ক্রীড়া বিনিময় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় মাদক পাচার, অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল কাজী শরীফ উদ্দিন বলেন, বাস্তবভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত পদক্ষেপ জোরদার করা গেলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

এর আগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে পুলিশ প্রশিক্ষণ, সাইবার অপরাধ দমন ও ভিসা সহজীকরণের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগও বৃদ্ধি পায়।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!