আজ বিশ্ব মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন অনেকে।
মা—ছোট্ট একটি শব্দ, অথচ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সন্তানের নিরাপত্তা, মমতা, ভালোবাসা ও নির্ভরতার অনুভূতি। জীবনের প্রতিটি ধাপে সন্তানের পাশে থাকা মানুষটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস।
অনেকের মতে, মায়ের জন্য আলাদা কোনো দিবসের প্রয়োজন নেই। কারণ মা সন্তানের জীবনের প্রতিদিনের অংশ। তবে বিশেষ একটি দিনে তাঁকে সম্মান ও ভালোবাসা জানানোকে ইতিবাচকভাবেই দেখেন অনেকে।
সকাল থেকেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণমূলক লেখা পোস্ট করতে দেখা গেছে ব্যবহারকারীদের। কেউ মায়ের ত্যাগের কথা স্মরণ করছেন, কেউবা দূরে থাকা মায়ের প্রতি ভালোবাসা জানাচ্ছেন।
মাকে নিয়ে বাংলা সাহিত্যেও রয়েছে অসংখ্য কবিতা, গান ও গল্প। কবি কাদের নেওয়াজ লিখেছিলেন—
“মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই,
ইহার চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই।”
জন্মের পর থেকে শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের প্রতিটি ধাপে সন্তানের জীবনে মায়ের ভূমিকা অনন্য। হাঁটতে শেখা থেকে শুরু করে জীবনের কঠিন সময়ে সাহস জোগানো—সব ক্ষেত্রেই মা হয়ে ওঠেন সবচেয়ে কাছের আশ্রয়।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালিত হয়। মার্কিন শিক্ষিকা আনা জার্ভিস তাঁর মা অ্যান মেরি রিভস জার্ভিসের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে দিবসটি প্রচলনের উদ্যোগ নেন। পরে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
বিশ্ব মা দিবসে আজ পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি জানানো হচ্ছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। অনেকের প্রত্যাশা—সব মা সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন, ভালো থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি পরিবার।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!