জাতীয়

খামারিদের স্বার্থে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আনার প্রয়োজন নেই: টুকু

আপডেট: মে ২৩, ২০২৬ : ০৬:০৬ এএম ১৭
খামারিদের স্বার্থে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আনার প্রয়োজন নেই: টুকু

দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোরবানির জন্য দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু রয়েছে, যেখানে চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ। ফলে প্রায় ২২ লাখ গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এ অবস্থায় বাইরের দেশ থেকে গরু আমদানির প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা সারা বছর পরিশ্রম করে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করেন। তাদের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব।

গাবতলী হাটে পশুর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, সেখানে মেডিকেল সেন্টার চালু রয়েছে এবং অসুস্থ পশুকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কোরবানির ধর্মীয় ও সামাজিক দিক নিয়েও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হওয়া উচিত এবং এ বিষয়ে ক্রেতাদের আরও সচেতন হতে হবে। অবৈধ পথে আসা পশু কোরবানির বিষয়ে ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকায় এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গবাদিপশু প্রবেশ না করতে পারে। দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান।

হাট ব্যবস্থাপনা ও বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যা ও চাহিদা অনুযায়ী হাটের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পশুর সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোথাও অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

জাল টাকা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে এবং হাটে বিশেষ নজরদারি ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!