জাতীয়

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আপডেট: জুন ১৪, ২০২৬ : ০৫:১৩ এএম
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাতগুলোর একটি হলো কৃষি। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রত্যাশিত গতিতে উন্নয়ন হয়নি। এ অবস্থায় কৃষকদের অবদানকে আরও বেশি স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

নিজের পারিবারিক পটভূমির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি কৃষক পরিবারের সন্তান এবং কৃষকদের জীবনসংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে কৃষি খাত নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং খাল খননের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের কর্মপরিবেশের বিষয়েও কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বল্প বেতনে কর্মরত অনেক কৃষিবিদকে নিজ জেলা থেকে দূরে কাজ করতে হয়। তাঁদের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নিজ নিজ জেলায় পদায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে তাঁরা আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বক্তব্য দেন।

বক্তারা কৃষি খাতের উন্নয়ন, কৃষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!