জাতীয়

প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের মৃত্যু

আপডেট: জুলা ০৫, ২০২৬ : ০৫:৩১ এএম
প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের মৃত্যু

জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের সাবেক বার্তা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, খ্যাতিমান কবি সুফিয়া কামালের জ্যেষ্ঠ সন্তান শাহেদ কামালের মরদেহ শনিবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের ‘সাঁঝের মায়া’য় রাখা হবে, যাতে স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।

পরিবারের সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল জানিয়েছেন, রোববার জোহরের নামাজের পর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আজিমপুর কবরস্থানে মা সুফিয়া কামালের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।

শাহেদ কামাল ১৯৫৭ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি তৎকালীন পাকিস্তান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসে (এপিপি) কাজ করেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এ দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করেন।

নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজচিন্তায়ও তাঁর ছিল সক্রিয় সম্পৃক্ততা।

আজীবন অবিবাহিত শাহেদ কামাল বাংলাদেশ স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ধ্রুপদি সংগীত, চারুকলা, সাহিত্য এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস বিষয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ ও জ্ঞান ছিল। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি পেশাদারিত্ব, সততা এবং জ্ঞানচর্চার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিকতা ও শিক্ষা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি দুই বোন ও এক ভাই রেখে গেছেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!