জাতীয়

ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট: জুলা ০৭, ২০২৬ : ০৫:৪৮ এএম
ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

উপ-প্রেস সচিব বলেন, জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমস্যা থাকবেই। সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়েও অনুন্নত ছিল। আন্তরিকভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে বাংলাদেশও আরও এগিয়ে যেতে পারবে।

সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনের ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা জনবল সংকট, আধুনিক পরীক্ষাগারের অভাব, মাঠপর্যায়ে আধুনিক সরঞ্জামের প্রয়োজন, প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, অনেক লেক আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে, অথচ এসব আবর্জনা অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষিত মানুষই ফেলছেন। শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, দেশকে পরিবর্তন করতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং সচেতনতা বাড়াতে হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!