সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চলতি বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য সব নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব)।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁর মতে, বর্তমানে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় হোমিওপ্যাথির ব্যবহার বেশি। একই সঙ্গে হারবাল চিকিৎসার প্রতিও মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।
তিনি বলেন, বিকল্প চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নে আরও গবেষণা, স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। গবেষণার মাধ্যমে এসব চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো সম্ভব হলে মানুষের আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
বক্তব্যে অতীতের স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। তিনি টিকাদান কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলামসহ ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!