জাতীয়

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার থাকবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট: জুলা ০৯, ২০২৬ : ০৫:৫১ এএম
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার থাকবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনকল্যাণে কাজ করছে। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার অতীতের মতোই থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বুধবার রাতে রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা এবং আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি রাঙ্গামাটিসহ পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বাঙালিসহ পার্বত্য অঞ্চলের ১২টি জাতিগোষ্ঠীর সমঅধিকারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন পার্বত্য জেলার জন্য মোট ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাঙ্গামাটির জন্য ৫০০ মেট্রিক টন এবং খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী দুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে খোঁজ নেন।

এ সময় রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!