জাতীয়

দুই বছরের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনার লক্ষ্য: ইউজিসি চেয়ারম্যান

আপডেট: জুলা ১৬, ২০২৬ : ০৫:৪৮ এএম
দুই বছরের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনার লক্ষ্য: ইউজিসি চেয়ারম্যান

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল রূপান্তরের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ও প্রান্তিক অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ডিজিটাল সুযোগ–সুবিধার বৈষম্য অনেকটাই কমে আসবে।

বুধবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের প্রথম ধাপে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হবে। পরে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা অবকাঠামো এবং স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে। এর ফলে দেশের সব অঞ্চলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা ও ডিজিটাল জ্ঞানভান্ডার ব্যবহারের সমান সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উচ্চশিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধাপে ধাপে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে তাঁরা বিশ্বের যেকোনো দেশের কর্মবাজারে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের অধীনে ২৫টি বিভাগে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী আউটকাম–বেইজড কারিকুলামে পড়াশোনা করছেন। তিনি নতুন বিভাগ চালু, শিক্ষক নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা কামনা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান প্রতিবছর সমাবর্তন আয়োজন, ‘নজরুল সিটি’ প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ এবং নতুন ভবন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!