সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। দেশের বস্ত্রশিল্পের চাহিদা বিবেচনায় তুলা চাষে কৃষকদের আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে হবে।
শনিবার দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের চারা বিতরণ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিক্ষাবৃত্তি ও খেলাধুলার সামগ্রী এবং কৃষি বিভাগের বীজ-সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের তুলা চাষে কৃষকেরা বেশি উৎপাদন ও লাভের সুযোগ পাবেন। দেশীয় গবেষকদের উদ্ভাবিত নতুন জাতের মাধ্যমে তুলা চাষে ইতিমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। কৃষকেরা লাভবান হলে আগামীতে এ ফসলের আবাদ আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, তুলা চাষ সম্প্রসারণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তুলা উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষকের মধ্যে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের তুলার বীজ, চারা, সার, কীটনাশক ও প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটর (পিজিআর) বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ৩০০টির বেশি শিমুল ও মসলিন তুলার চারা বিতরণ করা হয়।
এ ছাড়া সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ১০৭ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, রংপুর বিভাগের উপপরিচালক জাফর আলী, ঠাকুরগাঁও জোনের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা সেলিনা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!