বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার অমীমাংসিত বিভিন্ন সমস্যা দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সরাসরি বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (আইভ্যাক) শিশুদের জন্য একটি খেলার জায়গা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমি তাঁর (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) বক্তব্য অনেকবার শুনেছি। তিনি একজন জনসম্পৃক্ত নেতা, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও (নরেন্দ্র মোদি) তাই। আমার মনে হয়, দুই নেতা বৈঠকে বসলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এ বিষয়ে আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে দেখার কোনো কারণ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী। নেতিবাচক কিছু নেই। পরিস্থিতি ইতিবাচকই রয়েছে।’
পারস্পরিক যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব মন্তব্য করলেন। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) এর আগে জানিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য পৃথকভাবে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি।
গত মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, ঢাকা ওই আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে এবং পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
ভিসা কার্যক্রম নিয়ে যা বললেন
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশিদের মধ্যে ভিসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ধীরে ধীরে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ভিসা-সংক্রান্ত চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!