দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। এ অঞ্চলের দেশগুলোর জনগণের সম্মিলিত কল্যাণে সার্ককে আবার সক্রিয় করার বিষয়ে ভুটানের সমর্থন চাওয়া হয়েছে।
শুক্রবার জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকায় স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতি করেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ সহযোগিতা চাওয়া হয়।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ সময় তাঁরা সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তুলতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।
আলোচনায় ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উন্নয়নেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানানো হয়। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধা দক্ষ জনশক্তি দিয়ে এ প্রকল্পে বাংলাদেশ অবদান রাখতে আগ্রহী বলে জানান তাঁরা।
এ ছাড়া দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
বাংলাদেশ এর আগে সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে। চলতি বছর সরকারের পক্ষ থেকে সার্কের কার্যক্রম পুনরায় সচল করতে বহুমাত্রিক উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
বিমানবন্দরের বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে দুপুরে ঢাকায় পৌঁছান। স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতি শেষে তিনি জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!