জাতীয়

সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে মনোজগতের পরিবর্তন জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আপডেট: অক্টো ১২, ২০২৬ : ০৫:৫৩ এএম ৬ ০
সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে মনোজগতের পরিবর্তন জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শুধু আইন, আদালত কিংবা চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলে চলবে না। এ জন্য মানুষের মনোজগতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ জরুরি। তা না হলে এসব সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আজ রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের অ্যালামনাই কক্ষে ‘আন্তর্জাতিক মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সমাজে ছোটখাটো বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা দেখলেই বোঝা যায়, এসব সমস্যার সমাধান কেবল আইন, আদালত কিংবা চিকিৎসার মাধ্যমে সম্ভব নয়। মানুষের মনোজগতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা না গেলে অপরাধের স্থায়ী প্রতিকার পাওয়া কঠিন।

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের আহ্বান

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ খাতে বাজেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ড. এম এ মুহিত বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগ সফল করতে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও জোরদার করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপিকা তাহমিনা আক্তার। এ ছাড়া খ্যাতনামা চিকিৎসক, গবেষক, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আলোচনায় অংশ নেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!