স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ আরও তিন বছর সময় পেয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গত ২৯ অক্টোবর নিউইয়র্কে এ–সংক্রান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। ফলে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।
সরকারের এক বছরের সমন্বিত উদ্যোগ, কূটনৈতিক তৎপরতা, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা ও দর-কষাকষি এবং ব্যবসায়ী মহলের সহযোগিতায় এ সিদ্ধান্ত এসেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এ উদ্যোগে যুক্ত ছিল।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সরকার এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের পাশাপাশি তুলে ধরা হয় অর্থনৈতিক যুক্তি। সরকারের লক্ষ্য ছিল, দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প খাতে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি তৈরি না করে পরিকল্পিত ও টেকসইভাবে এলডিসি থেকে উত্তরণ নিশ্চিত করা।
ব্যবসায়ী সংগঠন ও রপ্তানিকারকেরাও আগাম উত্তরণের ফলে বাজারসুবিধা, রপ্তানি প্রতিযোগিতা, শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেন।
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় উদ্যোগ
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম কর্মদিবস থেকেই এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ানোর উদ্যোগে সক্রিয় হন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ব্যবসায়ী মহলের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিনই তিনি সরকারের পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর আবেদন করার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
একই দিন ইআরডি জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটির (সিডিপি) কাছে চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়।
সরকারের যুক্তি ছিল, দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা চ্যালেঞ্জের কারণে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, কাঠামোগত সংস্কার এগিয়ে নেওয়া এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশলের অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ক্যামেরুনের ইয়াউন্ডেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তিনি।
সম্মেলনের সাইডলাইনে ২৮ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাণিজ্যবিষয়ক কমিশনার মারোস সেফকোভিচের সঙ্গে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে সমর্থন চান তিনি। একই সঙ্গে ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনাও তুলে ধরেন।
৫ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ, স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ ও ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প খাতে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়াতে বাংলাদেশ পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে এলডিসি থেকে উত্তরণ চায়। উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের অব্যাহত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি।
এর পরদিন ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি লিখে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত সমর্থন কামনা করেন।
২৬ এপ্রিল সচিবালয়ে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে বৈঠকেও বাংলাদেশের প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন চান বাণিজ্যমন্ত্রী। টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
সিডিপির ইতিবাচক মনোভাব
এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ানোর উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে ২৯ এপ্রিল। ওই দিন জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল পরামর্শ সভা করে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, ইআরডি সচিব, বাণিজ্য সচিব, অর্থসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
সভায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগের কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাজারসুবিধা হারানোর আশঙ্কা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অভাব, উৎপাদন সক্ষমতা, রপ্তানির শর্ত পূরণ এবং সম্ভাব্য কর্মসংস্থান ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। অসমাপ্ত কাঠামোগত সংস্কার ও ইরান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবও আলোচনায় আসে।
এসব বিষয় পর্যালোচনার পর ১ জুন ইআরডি সচিবকে চিঠি দিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা জানায় সিডিপি। পরদিন ২ জুন এক বিবৃতিতে বিষয়টি প্রকাশ করে ইআরডি।
এরপর জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এবং সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করে সরকার।
২ জুলাই আগারগাঁওয়ের এনইসি সম্মেলনকক্ষে ইআরডি, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় একটি সেমিনারের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও গবেষকেরা অংশ নেন। সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত সময় বাংলাদেশকে টেকসই, স্থিতিশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক রূপান্তর অর্জনে সহায়তা করবে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্নকে দেশের প্রস্তুতির পথে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
নেপাল ও জি-৭৭-এর সমর্থন
বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়েও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। নেপালের নতুন সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করে বাংলাদেশ। উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি এককভাবে না এগিয়ে যৌথ উদ্যোগে পরিচালনার বিষয়ে দুই দেশ আলোচনা করে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) সভাপতি এবং জাতিসংঘে নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এ ছাড়া গ্রুপ অব ৭৭ (জি-৭৭) জোটের সঙ্গে অনলাইনে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ওই উপস্থাপনা ও বৈঠকের পর এলডিসি উত্তরণ পেছানোর বিষয়ে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ সমর্থন দেয় জোটটি।
জুলাই মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইকোসকের সভাপতি লোক বাহাদুর থাপা এবং সংস্থাটির সহসভাপতি ও জাতিসংঘে আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি আমর বেনজামারের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তরণের চ্যালেঞ্জ, জ্বালানি সংকট, সরবরাহব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন তিনি। অতিরিক্ত সময় পেলে কাঠামোগত সংস্কার, সুশাসন, আর্থিক খাত ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
এরপর ২১ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে। ওই দিন ইকোসক সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুপারিশ গ্রহণ করে। এতে বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের তৎকালীন স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ইকোসকের এ সুপারিশের ফলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে বিবেচনার পথ তৈরি হয়।
২৯ জুলাই ঢাকায় আইসিএমএবি ভবনে ‘বাংলাদেশের আসন্ন এলডিসি উত্তরণ: টেকসই উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা’ শীর্ষক সেমিনারেও অতিরিক্ত প্রস্তুতিকালের গুরুত্ব তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সময় কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংক খাতের সংস্কার, ব্যবসা সহজ করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সময় বাড়ানোর উদ্দেশ্য শুধু উত্তরণের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া নয়; বরং অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করা।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে শেষ পর্যায়ের তৎপরতা
জাতিসংঘের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে শেষ পর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা চালায় সরকার। ১৯ অক্টোবর ঢাকায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যেই জাতিসংঘ বাংলাদেশের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, সিডিপির প্রক্রিয়া শেষ করে বাংলাদেশ ইকোসকের পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পক্ষগুলো অতিরিক্ত সময় দেওয়ার প্রস্তাবে সমর্থন জানাতে সম্মত হয়েছে। বর্ধিত সময় কীভাবে কাজে লাগানো হবে, সে বিষয়ে সরকার ইইউর কাছে একটি সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনাও জমা দিয়েছে।
উত্তরণ-পরবর্তী বাণিজ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এলডিসি থেকে উত্তরণের আগেই ইইউর সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। একই দিন সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী আবারও আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
অবশেষে ২৯ অক্টোবর নিউইয়র্ক সময়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব গ্রহণ করে। এর ফলে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রস্তুতির সুযোগ পেল।
এখন বড় চ্যালেঞ্জ অর্থনৈতিক সংস্কার
বর্ধিত সময়কে কাজে লাগিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করা, ব্যাংক ও আর্থিক খাতে সংস্কার, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্য চুক্তি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তবে সময় বাড়ানোই শেষ কথা নয়। ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করে অর্থনীতিকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। এই সময়ের যথাযথ ব্যবহারই নির্ধারণ করবে, বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত হয়ে এলডিসি থেকে উত্তরণ করতে পারবে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!