জাতীয়

ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আপডেট: নভে ০৬, ২০২৬ : ০৫:২৪ এএম ৮ ০
ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বিশ্ব ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের এই সাংস্কৃতিক সম্পদের পরিচিতি বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের অমূল্য সাংস্কৃতিক সম্পদ। দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, স্থাপত্যশিল্প ও ঐতিহ্যের অনন্য পরিচায়ক এই স্থাপনা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। এ ধরনের প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ করা জাতীয় দায়িত্ব।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী মসজিদের স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক কারুকাজ ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থাপনাটির বিভিন্ন শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য এবং সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মূল স্থাপত্যশৈলী ও স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এসব স্থাপনাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শুধু অতীতের স্মারক নয়, এটি জাতীয় পরিচয় ও আত্মমর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি এর প্রচার ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি বাড়ানোর উদ্যোগও জোরদার করা প্রয়োজন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উপস্থিত দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শোনেন।

এ সময় সংস্কৃতিসচিব ইয়াসমিন বেগম, মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও উপসচিব, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা-বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ও কাস্টোডিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!