জাতীয়

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিন: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট: নভে ০৮, ২০২৬ : ০৫:২৫ এএম ৫ ০
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিন: বাণিজ্যমন্ত্রী

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এ দিনের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার আকাঙ্ক্ষা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছিলেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদ ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, তা তিনি প্রমাণ করেছিলেন।

গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অল্প সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিল। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গেও দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়েছিল।

জিয়াউর রহমানের সততা, দেশপ্রেম ও স্বজনপ্রীতিহীনতার আদর্শ তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর রেখে যাওয়া দৃষ্টান্ত এখনো মানুষের কাছে একটি মানদণ্ড। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছেও মানুষ একই ধরনের সততা, দায়িত্বশীলতা ও আদর্শ প্রত্যাশা করে।

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা এবং সরকারি সেবার মান বাড়ানো জরুরি।

সরকারকে জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, মানুষ যেন প্রকৃত অর্থেই সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও তাহসিনা রুশদীর লুনা।

এ ছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা, জুলাইযোদ্ধা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!