রাজনীতি

চীন সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সফল হয়েছে: মাহদী আমিন

আপডেট: সেপ্টে ০১, ২০২৬ : ০৫:৪২ এএম ১৭
চীন সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সফল হয়েছে: মাহদী আমিন

কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই, একটি আন্তর্জাতিক সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন এবং তিনটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম চালুর মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক তিন দিনের চীন সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

আজ সোমবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে’ তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, কম খরচে মানসম্মত কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল সফরে চীনের ৫০টির বেশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট এবং শিল্প খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।

তাঁর মতে, সফরের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হওয়া।

চারটি সহযোগিতা উদ্যোগ

সফরকালে ‘চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।

এ ছাড়া ‘চায়না-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস সেন্টার’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম চালুর কথাও জানান মাহদী আমিন। এগুলো হলো—চীন-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং সেন্টার, বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার এবং বাংলাদেশ ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ+ স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ সহযোগিতা কেন্দ্র।

চীনা ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব

মাহদী আমিন বলেন, তরুণদের দক্ষ করে দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শিক্ষার্থীরা যাতে চীনা ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়, সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো দক্ষতাকে সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপান্তর করা। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক বৃত্তির সুযোগ বাড়ানো, যৌথ ডিগ্রি চালু এবং তৃতীয় ভাষা হিসেবে চীনা ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি করা হলে বাংলাদেশের তরুণেরা বৈশ্বিক শ্রমবাজারে আরও এগিয়ে যেতে পারবে।

চীন থেকে বাংলাদেশে আসা কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষকদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতেও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!