রাজধানী

রমনায় পান্তা-ইলিশ ৬০০ টাকা, ক্ষোভ দর্শনার্থীদের

আপডেট: এপ্রি ১৪, ২০২৬ : ০৭:০২ এএম
রমনায় পান্তা-ইলিশ ৬০০ টাকা, ক্ষোভ দর্শনার্থীদের

বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) উপলক্ষে রাজধানীর রমনা পার্ক এলাকায় পান্তা-ইলিশের চিত্রে এবার দেখা গেছে বড় পরিবর্তন। একসময় যেখানে অস্থায়ী দোকানে পান্তা-ইলিশের পসরা সাজানোর ধুম থাকত, সেখানে এ বছর সেই চেনা দৃশ্য অনুপস্থিত।

বর্ষবরণের দিনে ঢাকাবাসীর অন্যতম আকর্ষণ এ স্থানে কোনো অস্থায়ী পান্তা-ইলিশের দোকান দেখা যায়নি। তবে পার্কের একটি স্থায়ী রেস্তোরাঁয় পান্তা-ইলিশ বিক্রি হলেও এর দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দর্শনার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কে অবস্থিত মি. কুক রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং-এ পান্তা-ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। সেখানে ছোট আকারের এক টুকরো ইলিশ, কিছু পান্তা ভাত ও বেগুন ভাজি দিয়ে একটি প্যাকেজের দাম রাখা হয়েছে ৬০০ টাকা।

দর্শনার্থীদের অনেকে বলেন, এত বেশি দামে পান্তা-ইলিশ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। কেউ কেউ শিশুদের আবদার রাখতে বাধ্য হয়ে কিনলেও বেশিরভাগই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

শুধু রমনা পার্ক নয়, রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও এ বছর অস্থায়ী দোকানে পান্তা-ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ-এপ্রিল সময়ে অভয়ারণ্যের নিষেধাজ্ঞা এবং বাজারে ইলিশের স্বল্পতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া ইলিশের উচ্চমূল্যের কারণেও অনেক বিক্রেতা অস্থায়ী দোকান বসাতে আগ্রহ দেখাননি।

রেস্তোরাঁটির কর্মীরা জানান, তুলনামূলক বড় সাইজের ইলিশ মাছ কিনে ছোট টুকরো করে প্যাকেজ তৈরি করা হয়েছে। মাছের দাম বেশি হওয়ায় পান্তা-ইলিশের মূল্যও বেশি নির্ধারণ করতে হয়েছে বলে দাবি তাদের।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!