শিক্ষা

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬ : ০৫:২৬ এএম
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র–এ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’–এর প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য শুধু শিক্ষিত হলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছর কারিগরি শিক্ষা খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ড. মিলন বলেন, জাতীয় পর্যায়ের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রকল্প দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতা ভবিষ্যতের বাংলাদেশের সম্ভাবনার প্রতিফলন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। খাগড়াছড়ির এক শিক্ষার্থী বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ তাদের জন্য স্বপ্নপূরণের মতো। চট্টগ্রাম থেকে আসা এক শিক্ষার্থী দেশের ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। পটুয়াখালীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীও বিজ্ঞানচর্চায় সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। বিজয়ী প্রতিটি শিক্ষার্থী দলকে ২০ হাজার টাকার চেক, পদক ও সনদ এবং শিক্ষকদের ৩০ হাজার টাকার চেক ও সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, ড. মাহদী আমিন, আবদুল খালেক, প্রফেসর ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!