শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী দিনে শিক্ষকরা যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেজন্য আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
আজ ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে "গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেন অংশগ্রহণ করতে না পারে সেজন্য আইন থাকা প্রয়োজন। কোন শিক্ষক নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়নে আমরা পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করছি। এই অর্থ যেন সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নে ৯৮.৮৫ মিলিয়ন ডলারের অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই অর্থের যেন সদ্ব্যবহার করা হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, ইউনেস্কো এবং এডিবি যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ হাই কমিশন, ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট সারাদেশে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে। চার বছরের এই কর্মসূচি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হবে এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত প্রায় ৬,৭৭,০০০ শিক্ষক এর উপকারভোগী হবেন।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!