চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে নিয়েছে সহ-আয়োজক মেক্সিকো। বজ্রঝড়ের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হওয়া শেষ ৩২–এর ম্যাচে তারা ইকুয়েডরকে ২–০ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে শেষ ষোলোর টিকিট।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এটি মেক্সিকোর ৪০ বছরের মধ্যে প্রথম জয়। এই জয়ে টানা সাত ম্যাচে অপরাজিত থাকার ধারাও ধরে রাখল দলটি। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলে ১০টিতেই জয় পেয়েছে তারা।
মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ২২ মিনিটে রবার্তো আলভারাদোর নিখুঁত থ্রু পাস থেকে হুলিয়ান কিনিয়োনেস গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তাঁর তৃতীয় গোল।
প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে মেক্সিকো। ম্যাচের ৩১ মিনিটে কিনিয়োনেসের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর রাউল হিমেনেস জোরালো শটে বল জালে পাঠান। জাতীয় দলের হয়ে এটি তাঁর ৪৭তম গোল।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের কারণে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ১০ জনের দল নিয়েই ম্যাচ শেষ করতে হয় ইকুয়েডরকে।
বিরতির পর ব্যবধান কমানোর চেষ্টা চালায় ইকুয়েডর। তবে মেক্সিকোর রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ়। অন্যদিকে স্বাগতিকরাও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনো গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২–০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মেক্সিকো।
এই জয়ের ফলে ১৯৯০ সালের ইতালির পর প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে কোনো গোল না হজম করেই চারটি জয় পেল মেক্সিকো।
শেষ ষোলোর ম্যাচে আগামী ৬ জুলাই ইংল্যান্ড ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে মেক্সিকো। অন্যদিকে আসর থেকে বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দল ইকুয়েডর।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!