টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারিয়ে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্পেন। ২০১০ সালে শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল লা রোহা। অন্যদিকে তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল কিলিয়ান এমবাপ্পেদের।
বুধবার আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও ছন্দ নিজেদের দখলে রাখে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে পেড্রো পোরোর গোলে নিশ্চিত হয় স্পেনের জয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি ওলমোকে নিয়ে গড়া স্পেনের মাঝমাঠ ফ্রান্সকে চাপে রাখে। বিপরীতে এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসের তারকাখচিত আক্রমণভাগও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।
প্রথম সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায় ২০তম মিনিটে স্পেন। পেনাল্টি এলাকায় লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়ারজাবাল।
গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। তবে এমবাপ্পের কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ায় সমতায় ফিরতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে উনাই সিমনের দারুণ সেভও স্পেনকে এগিয়ে রাখে।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু পাস খেলে ডান দিক দিয়ে উঠে এসে নিখুঁত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেড্রো পোরো।
এর তিন মিনিট পর লামিন ইয়ামাল বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। শেষ দিকে দিদিয়ের দেশম একাধিক পরিবর্তন আনলেও স্পেনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ফ্রান্স। এমবাপ্পের কাছ থেকে পাওয়া সেরা সুযোগটিও রুখে দেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।
শেষ পর্যন্ত ২–০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্প্যানিশরা। এখন শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ফাইনালে নামবে তারা। অন্যদিকে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো ফ্রান্সকে।
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!