চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা ও স্পেনের হয়ে ১৮ ম্যাচের সব কটিতেই শুরুর একাদশে খেলেছেন লামিন ইয়ামাল। তাঁকে বদলি হিসেবে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার ঘটনা খুব বেশি দেখা যায়নি। তবে গতকাল শনিবার আলাভেসের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে জোড়া গোল করা ইয়ামালকে খেলা শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে তুলে নেন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। ম্যাচ শেষে জার্মান কোচ জানান, ইয়ামাল নিজেই তাঁর কাজটা সহজ করে দিয়েছেন।
নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে আলাভেসকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। দলের জয়ে জোড়া গোল করেছেন ইয়ামাল ও রাফিনিয়া। এ ছাড়া একটি করে গোল করেন ফারমিন লোপেজ ও অ্যান্থনি গর্ডন। টানা দুই হারের পর বড় ব্যবধানে পাওয়া এই জয় বার্সেলোনার জন্য ছিল স্বস্তির।
ম্যাচ শেষে ইয়ামালকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফ্লিক বলেন, ‘দুটি গোল করলে মাঠ ছাড়াটা সহজ হয়ে যায়। বিরতিতে আমি তার সঙ্গে খেলার সময় নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে কথা বলেছিলাম। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে সে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে তার আরও বেশি সময় ও মিনিট খেলা আমাদের জন্য ভালো ছিল। তবে তার খেলার সময় কমিয়ে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।’
ম্যাচে শুরুতে রাফিনিয়ার গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। এরপর ব্যবধান বাড়ান ফারমিন লোপেজ। মৌসুমে নিজের ১৭তম গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন রাফিনিয়া। বিরতির আগে ইয়ামাল করেন চতুর্থ গোল। দ্বিতীয়ার্ধে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলের বড় জয়ে অবদান রাখেন এই স্প্যানিশ তরুণ।
হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোয় সন্তুষ্ট ফ্লিক
চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে হেরে বার্সেলোনার টানা ১১ ম্যাচ জয়ের ধারায় ছেদ পড়ে। এরপর লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছেও হারে দলটি। টানা দুই পরাজয়ের পর আলাভেসের বিপক্ষে এমন জয় প্রত্যাশা করেছিলেন ফ্লিক।
দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘লামিনের জন্য এটি দারুণ একটি ম্যাচ ছিল। ফারমিন ও রাফিনিয়ার আক্রমণের ধরনও আমার ভালো লেগেছে। এই দুটি হারের পর আমি এমন প্রতিক্রিয়াই দেখতে চেয়েছিলাম। আমরা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াই, সেটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। খেলোয়াড়েরা ভালোভাবে এবং সঠিকভাবেই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।’
আরএস-রাসেল
No comments yet. Be the first to comment!