আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি

আপডেট: সেপ্টে ২৪, ২০২৬ : ০৫:২৮ এএম ৬ ০
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার বেইজিং থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। স্থানীয় সময় বুধবারই জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে শিকে স্বাগত জানান ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে দুই নেতার বৈঠক হওয়ার কথা। দুই দেশের বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত উত্তেজনা কমানো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিরল মৃত্তিকা উপাদান, তাইওয়ান ও ইরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে শি ও তাঁর স্ত্রী পেং লিইউয়ান রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে সামরিক প্রদর্শনী থাকবে। সন্ধ্যায় ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে আপ্যায়ন করবেন। শুক্রবার সকালে চা পান ও ন্যাশনাল আর্কাইভস পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে শির সফর শেষ হওয়ার কথা।

বাণিজ্য ও এআই আলোচনায় গুরুত্ব

বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির নেতাদের এ বৈঠকে বাণিজ্য ও শুল্কের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। দুই দেশ বিদ্যমান বাণিজ্যবিরতি আরও বাড়ানো এবং পারস্পরিক বাণিজ্যিক উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে আলোচনা করছে।

এআই নিয়েও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের কাঠামো তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উন্নত এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা, ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পৃথক উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। বৈঠকের আগে দুই দেশের কর্মকর্তারা এআই, বাণিজ্য ও বিরল মৃত্তিকা উপাদান নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তাইওয়ান ও ইরান

বৈঠকে তাইওয়ান ও ইরান প্রসঙ্গও উঠতে পারে। তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে চীন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত ও চীনের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।

বিরল মৃত্তিকা নিয়ে দর-কষাকষি

চীনের বিরল মৃত্তিকা উপাদানের সরবরাহের ওপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। উচ্চপ্রযুক্তি, গাড়ি ও অন্যান্য শিল্পে এসব উপাদান গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকের আগে দুই দেশের কর্মকর্তাদের আলোচনায় বিরল মৃত্তিকা সরবরাহের বিষয়টি উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ভূরাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও ওয়াশিংটন বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং সম্পর্কের আরও অবনতি ঠেকানো।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


No comments yet. Be the first to comment!